টোকিও বৈশাখী মেলার বৈশিষ্ট্য
১) আয়োজক সংগঠন ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা এই মেলার জন্য নিস্বার্থ ভাবে 
আত্মত্যাগ করেন, কোন পারিশ্রমিক বা সুবিধা নেন না। ১৩৮ জনকে নিয়ে গঠিত বর্তমান মেলা কমিটি প্রবাসের এক ঐক্যবদ্ধ শক্তি।
২) মেলার লক্ষ্য সোনার বাংলাদেশের গৌরবময় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে উন্নত শিরে তুলে ধরা, দুঃখিনী বাংলাদেশের দুর্দশার কথা বলে অবনত শিরে করুণা লাভের প্রচেষ্টা নয়।
৩) এটি কোন ব্যক্তিগত ব্যবসা নয়। মেলার সকল হিসাব-নিকাষ সর্বদাই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়।
৪) মেলায় সাধারণের মতামতকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়। ষ্টল বন্টনের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত মতবিনিময় সভা ও লটারী সহ পালন করা হয় সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা।
৫) মেলায় মদ বিক্রয় করাকে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
৬) এই মেলায় কেবল বাংলাদেশীরাই স্টল দিতে পারেন।
৭) জাপানের কারি ইন্ডাস্ট্রিতে বাংলাদেশীদের ইমেজ বৃদ্ধির লক্ষ্যে টোকিও বৈশাখী মেলার সাথে যোগ করে হয়েছে কারি ফেস্টিভ্যাল।
৮) আনন্দ উৎসবের পাশাপাশি আয়োজক সংগঠন জাপান বাংলাদেশ সোসাইটি এই মেলায় প্রবাসীদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে।
৯) এই প্রাণের মেলাটি টোকিও শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়।
       টোকিও বৈশাখী মেলা সম্পর্কে অপপ্রচার বন্ধের আহবান
টোকিও বৈশাখী মেলার জন্য, আয়োজক সংগঠন জাপান বাংলাদেশ সোসাইটি, পার্ক কর্তৃপক্ষ তোশিমা-কু থেকে কোন অনুদান পায় না। মেলাটিকে নষ্ট করার জন্য, একটি মহল এর বিরূদ্ধে নোংরা অপপ্রচার চালচ্ছে। এদেরকে চিহ্নিত করুন ও এ সম্পর্কিত নথিপত্র দেখানোর জন্য চ্যালেঞ্জ করুন।

[পেছনের পাতা]
প্রাচ্যের আন্তর্জাল পত্রিকা অভিবাস www.japanbangladesh.com